বকেয়া আদায়ে দেশের প্রথম মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলকে আবারও উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে গ্রামীণফোন।এবারের
নোটিশে দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রাহক সংখ্যায় সবার পেছনে থাকা
সিটিসেলের কাছে নয় কোটি ৭২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৮৫ টাকা পাওনা দাবি করেছে। এ
পাওনা ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ের বলে উল্লেখ
করা হয়েছে।
এদিকে গ্রামীণফোনের মতো অন্যান্য অপারেটররাও সিটিসেলের
কাছে টাকা পাবে। খুব তাড়াতাড়ি তারাও পাওনা আদায়ে উকিল নোটিশ পাঠাতে পারে
বলে জানা গেছে। এ ছাড়া সিটিসেলের কাছে বিটিআরসি’র প্রায় তিনশ কোটি
টাকা বকেয়া রয়েছে। তবে সব টাকা পরিশোধ করে তারা থ্রিজি সেবা কার্যক্রমে
লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করবে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে সিটিসেলের কাছে
দেশে ১২টি ব্যাংকের পাওনার পরিমান ১২’ শ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও
(এনবিআর) প্রায় দুইশ কোটি টাকা পাবে।
নিয়ম অনুসারে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে কল করলে প্রতি মিনিটের জন্য দ্বিতীয় অপারেটরকে (কল গ্রহীতার অপারেটর) ১৮ পয়সা দিতে হয়। এ
ক্ষেত্রে সিটিসেল থেকে গ্রামীণফোনে কল গেলে প্রতি মিনিটের হিসেবে তাদেরকে এ
অর্থ দিতে হয়। একইভাবে গ্রামীণফোনে থেকে কল আসলেও সিটিসেল টাকা পায়।
এক্ষেত্রে
সিটিসেল থেকে বেশি কল যাওয়ার কারণে গ্রামীণফোনের প্রাপ্যই বেশি হয়েছে। উভয়
পক্ষের হিসাব সমন্বয় করে গ্রামীণফোন এ অর্থ পাবে। তবে সিটিসেল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করতে চায়। সিটিসেলের
কাছে আন্ত:সংযোগ চার্জ হিসেবে গ্রামীণফোন আসল হিসাবে পাবে আট কোটি ৮ লাখ
৯৭ হাজার ২৩৯ টাকা। সুদ হিসেবে যোগ হয়েছে বাকি টাকা। এর আগে ২০১৪
সালে গ্রামীণফোন আন্ত:সংযোগের ১০ কোটি ৬১ লাখ টাকা পাওনা চেয়ে সিটিসেলকে
নোটিশ দিয়েছিল। তখন আগের কিছু বকেয়া পরিশোধ করে সিটিসেল।
নিউজটি লিখেছেনঃ জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর
পোস্টটি সর্বশেষ আপডেটঃ ২২ আগস্ট, ২০১৫
